341 articles
- শবে মি‘রাজ ও রাজাব মাস – করণীয় ও বর্জনীয়
ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেনঃ-
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْراً فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ فَلا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنْفُسَكُمْ وَ قَاتِلُوا الۡمُشۡرِکِیۡنَ کَآفّة کَمَا یُقَاتِلُوۡنَکُمۡ کَآفّةً وَاعۡلَمُوۡۤا اَنَّ اللّٰهَ مَعَ الۡمُتَّقِیۡنَ (التوبة/٣٦)
অর্থাৎঃ-নিশ্চয় আছমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস বারটি, তন্মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের উপর যুল্ম করো না। আর মুশরিকদের
- ক্বোরবানী বিষয়ক কতিপয় প্রশ্ন-উত্তর: শাইখ ‘উছাইমীন (رحمه الله)/শাইখ ইবনু বায (رحمه الله)
প্রশ্নঃ- কয়েকজন মিলে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একটি পশু ক্বোরবানী করা কি জা-ইয?
উত্তরঃ- একটি উট অথবা একটি গরু সর্বোচ্চ সাতজন মুছলিম মিলে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্বোরবানী করা জা-ইয। আর এটাই হলো অধিকাংশ আয়িম্মায়ে কিরাম ও ‘উলামায়ে কিরামের (رحمهم الله) অভিমত।
(তবে এক অংশের ভগ্নাংশ করা যাবে না। যে কারণে দুইজন মিলে এক অংশ কিংবা তিনজন মিলে দুই অংশ এরূপ করা যাবে না, অনুরূপ ছাগল, দুম্বা কিংবা ভেড়ি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্বোরবানী করা যাবে না, সেটা যত - গরু-ছাগল যবেহ্ করার ছুন্নাহসম্মত পদ্ধতি: শাইখ ইবনি বায (رحمه الله)
* ক্বোরবানীর পশু যবেহ্ করার আগে ছুরি বা চাকুটি খুব ভালো করে ধার করে নিতে হবে, যাতে সহজেই যবেহ্ করা যায়। ‘উলামায়ে কিরামের অনেকে একাজটিকে ওয়াজিব বা আবশ্যকীয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। কেননা, আবূ ইয়া‘লা শাদ্দাদ ইবনু আউছ رضي الله عنه থেকে বর্ণিত, রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন:-
إنَّ اللَّهَ كَتَبَ الْإِحْسَانَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ، فَإِذَا قَتَلْتُمْ فَأَحْسِنُوا الْقِتْلَةَ، وَإِذَا ذَبَحْتُمْ فَأَحْسِنُوا الذِّبْحَةَ، وَلْيُحِدَّ أَحَدُكُمْ شَفْرَتَهُ، وَلْيُرِحْ ذَبِيحَتَهُ. (رَوَاهُ مُسْلِمٌ)
- আশ্ শাইখ রাবী‘ ইবনুল হাদী আল মাদখালী (حفظه الله) এর অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি নাসীহাহ
আল ‘আল্লামা আশ্ শাইখ রাবী ইবনুল হাদী আল মাদখালী (حفظه الله) বলেছেনঃ- এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে ওসিয়্যাত করছি, তোমরা তোমাদের পারস্পরিক আচরণে হিকমাহ বা প্রজ্ঞা অবলম্বন করো আর এমনসব প্রশ্ন করা বর্জন করো যেগুলো বিদ্ধেষ তৈরি করে এবং পরচর্চা বা পরনিন্দার পথে নিয়ে যায়।
আল্লাহ্র শপথ, এ বিষয়টি ক্ষতি করেছে। আমি এখন আমার ফোন বন্ধ করে রেখেছি। আমি কোন প্রশ্ন নিচ্ছি না। কারণ আমি দেখেছি যে, এসব প্রশ্নই আগা-গোড়াহীন (আদি-অন্তহীন) অনেক সমস্যার কারণ হয়েছে।
- ক্বোরআনের তাফছীর (১৫তম পর্ব)
এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, إِن شَاء اَللّٰه। বক্তব্যের এই পর্বে উছতায তাফছীরের নিয়ম-নীতি ও 'উলূমুল ক্বোরআন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-
ক) আল 'আল্লামা 'আব্দুল্লাহ আছ্ ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত-তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওা‘য়ীদ আল-হিছান।
খ) আল 'আল্লামা মুহাম্মাদ 'আলী আস্ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্ তিবয়ান ফী 'ঊলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল-'আল্লামা ছুয়ূতী رحمه الله রচিত আল-ইতক্বান।এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু বই থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إِن شَاء اَللّٰه।
এই পর্বেরও আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে “ইছতি‘আযাহ” বা أعوذ بالله من الشيطان الرجيم
- ক্বোরআনের তাফছীর (১৪তম পর্ব)
এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, إِن شَاء اَللّٰه। বক্তব্যের এই পর্বে উছতায তাফছীরের নিয়ম-নীতি ও 'উলূমুল ক্বোরআন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-
ক) আল 'আল্লামা 'আব্দুল্লাহ আছ্ ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত-তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওা‘য়ীদ আল-হিছান।
খ) আল 'আল্লামা মুহাম্মাদ 'আলী আস্ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্ তিবয়ান ফী 'ঊলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল-'আল্লামা ছুয়ূতী رحمه الله রচিত আল-ইতক্বান।এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু বই থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إِن شَاء اَللّٰه।
এই পর্বেরও আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে “ইছতি‘আযাহ” বা أعوذ بالله من الشيطان الرجيم
- ক্বোরআনের তাফছীর (১৩তম পর্ব)
এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, إِن شَاء اَللّٰه। বক্তব্যের এই পর্বে উছতায তাফছীরের নিয়ম-নীতি ও 'উলূমুল ক্বোরআন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-
ক) আল 'আল্লামা 'আব্দুল্লাহ আছ্ ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত-তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওা‘য়ীদ আল-হিছান।
খ) আল 'আল্লামা মুহাম্মাদ 'আলী আস্ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্ তিবয়ান ফী 'ঊলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল-'আল্লামা ছুয়ূতী رحمه الله রচিত আল-ইতক্বান।এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু বই থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إِن شَاء اَللّٰه।
এই পর্বের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে “ইছতি‘আযাহ” বা أعوذ بالله من الشيطان الرجيم
- ক্বোরআনের তাফছীর (১২তম পর্ব)
এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, إِن شَاء اَللّٰه। বক্তব্যের এই পর্বে উছতায তাফছীরের নিয়ম-নীতি ও 'উলূমুল ক্বোরআন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-
ক) আল 'আল্লামা 'আব্দুল্লাহ আছ্ ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত-তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওা‘য়ীদ আল-হিছান।
খ) আল 'আল্লামা মুহাম্মাদ 'আলী আস্ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্ তিবয়ান ফী 'ঊলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল-'আল্লামা ছুয়ূতী رحمه الله রচিত আল-ইতক্বান।এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু বই থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إِن شَاء اَللّٰه।
এই পর্বের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হলো- “তাফছীরের প্রকারভেদ”।
- ক্বোরআনের তাফছীর (১১তম পর্ব)
এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, إِن شَاء اَللّٰه। বক্তব্যের এই পর্বে উছতায তাফছীরের নিয়ম-নীতি ও 'উলূমুল ক্বোরআন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-
ক) আল 'আল্লামা 'আব্দুল্লাহ আছ্ ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত-তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওা‘য়ীদ আল-হিছান।
খ) আল 'আল্লামা মুহাম্মাদ 'আলী আস্ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্ তিবয়ান ফী 'ঊলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল-'আল্লামা ছুয়ূতী رحمه الله রচিত আল-ইতক্বান।এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু বই থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إِن شَاء اَللّٰه।
১) ক্বোরআনে কারীমের তাফছীর বিষয়ে রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم থেকে বর্ণিত হাদীছ খুব বেশি নয়, এর কারণ কি?
- ক্বোরআনের তাফছীর (১০তম পর্ব)
এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, إِن شَاء اَللّٰه।
বক্তব্যের এই পর্বে উছতায তাফছীরের নিয়ম-নীতি ও 'উলূমুল ক্বোরআন সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-ক) আল ‘আল্লামা ‘আব্দুল্লাহ আছ্ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত্তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওয়া‘ঈদ আল হিছান।
খ) আল 'আল্লামা মুহাম্মাদ 'আলী আস্ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্ তিবইয়ান ফী ‘উলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল 'আল্লামা ছুয়ূত্বী رحمه الله রচিত আল ইতক্বান।
এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু বই থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إِن شَاء اَللّٰه।১) তাফছীরের আরেকটি সমার্থক শব্দ হচ্ছে- আত্তা’ওয়ীল। তাফছীর ও তা’ওয়ীলের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরুপঃ
- আউলিয়া কারা? আশ্শাইখ ‘আব্দুর্ রায্যাক্ব ইবনু ‘আব্দিল মুহ্ছিন আল ‘আব্বাদ আল বাদ্র حَفِظَهُ اللهُ
নিশ্চয় সকল প্রশংসা আল্লাহ্র (سبحانه وتعالى)। আমরা তাঁরই প্রশংসা করি,তাঁর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি,তাঁর নিকটই ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করি। আমরা আল্লাহ্র (سبحانه وتعالى) নিকট আমাদের নাফ্ছের অনিষ্ট থেকে এবং আমাদের কর্মের মন্দ কুফল থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে হিদায়াত করার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে,আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোন মা‘বূদ নেই। তিনি একক,তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,মুহাম্মাদ صلى الله عليه وسلم আল্লাহ্র বান্দাহ ও রাছূল। তিনি হলেন আল্লাহ্র বাছাইকৃত,তাঁর অতি প্রিয় এবং তাঁর অহীর উপর (মানবজাতির জন্য রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এর প্রতি নাযিলকৃত আল্লাহ্র বার্তার বিষয়ে) অত্যন্ত বিশ্বস্থ এবং মানবজাতিকে আল্লাহ্র শারী‘য়াত তথা তাঁর প্রবর্তিত বিধান পৌঁছে দেয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত।
তিনি (রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم) মানবজাতির জন্য কল্যাণকর এমন কোন বিষয় অবশিষ্ট রাখেননি,যা তিনি তাঁর উম্মাতকে অবহিত করেননি এবং এমন কোন অনিষ্টকর বিষয় অবশিষ্ট রাখেননি,যা থেকে তিনি স্বীয় উম্মাতকে সতর্ক করেননি। তিনি প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত সুস্পষ্ঠভাবে পৌঁছিয়েছেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহ্র পথে প্রাণপণ চেষ্টা করে গেছেন। - করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৬ষ্ঠ পর্ব)
ফিক্বহের একটি উসূল রয়েছে যে, সন্দেহের দ্বারা সুনিশ্চিত কোনো বিষয়কে প্রতিহত করা যায় না। তাই কে এই ভাইরাসে আক্রান্ত বা কে আক্রান্ত নয়, এই সন্দেহের জন্য ওয়াজিব জুমু'আর সালাত ছাড়া উচিত হবে না। নতুবা কেবলমাত্র WHO এর নির্দেশনার ভিত্তিতে আমরা যদি দ্বীনী সিদ্ধান্ত নিতে থাকি, তবে একসময় দেখা যাবে যে, দ্বীনে ইছলামের আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
১) আমাদের তরফ থেকে সরকারের প্রতি এতটুকু বলতে পারি যে, তারা চাইলে নিম্নোক্ত রুলগুলো জারি করতে পারে। সেগুলো হলো-ক) কারো মধ্যে যদি এই COVID-19 এর উপসর্গ সামান্য মাত্রায়ও বিদ্যমান থাকে, তবে সে অবশ্যই মাছজিদে আসবে না।
খ) মাছজিদকে যথাযথভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এই রুল জারি করতে পারে যে, মাছজিদ কমিটি বা এলাকার জনগণ নিজ - করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৫ম পর্ব)
১) গত পর্বে আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল জার্রাহ رضي الله عنه ও মু'আয ইবনু জাবাল رضي الله عنه এর সম্পর্কে বর্ণিত হাদীছটি কয়েকজন রাওয়ী থেকে মুছনাদে আহ্মাদে বর্ণিত হয়েছে। এই হাদীছটিকে অনেকে য‘য়ীফ বললেও এর একাধিক ছনদ বিদ্যমান থাকায় এই হাদীছটিকে হাছান লি-গায়রিহী বলা যায়। তাই এই বর্ণনাটিকে গ্রহণযোগ্য বলা যায়।
এই হাদীছ থেকে জানা যায় যে, এই ত্বা‘ঊনের মধ্যেও তারা জামা‘আতে সালাত আদায় করেছেন এবং জুমু‘আর খুতবা দিয়েছেন।
২) ফার্য সালাত জামা‘আতে আদায় করার হুকুম কি?
‘আবুল্লাহ ইবনু 'উমার رضي الله عنها থেকে বর্ণিত, রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন- ঘরে একাকি সালাত আদায় করার চেয়ে মাছজিদে সালাত আদায় করলে সাতাশ গুণ বেশি ছাওয়াব লাভ করা যায়। (সাহীহ্ বুখারী ও সাহীহ্ মুছলিম)
ফার্য সালাত জামা‘আতে আদায়ের হুক্ম সম্পর্কে 'উলামায়ে কিরামের ভিন্ন ভিন্ন মত পরিলক্ষিত হয়। যেমন- - করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৪র্থ পর্ব)
১) শামে যখন তা'উন দেখা দেয়, তখন আবূ উবাইদাহ ইবনে জাররাহ رضي الله عنه ও মু'আয ইবনে জাবাল رضي الله عنه আল্লাহ এর কাছে প্রার্থনা করে যে, যেনো এই তা'উনের মধ্যে তাদের একটা অংশ রাখা হয়। এই রকম দু'আ
করে কি রোগ কামনা করা জায়েয আছে? এবং, এই তা'উনের মধ্যেও উনারা জামা'আতে সালাত আদায় করেছেন এবং, জুমু'আর খুতবা দিয়েছেন।
রাছূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানের উপর, নিজের সম্পদের উপর এবং,নিজের উপরে নিজে বদ দূ'আ করোনা। কারণ, হয়তো এমন একটা সময়ে এই বদ দু'আ গুলো তোমরা করবে যে, যে সময়টা হবে
দু'আ ক্ববুলের মুহূর্ত এবং, তা আল্লাহ سبحانه وتعالى এর কাছে ক্ববুল হয়ে যাবে। (মুছলিম) - করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (৩য় পর্ব)
১) এই মহামারীর সময় আমাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কি হওয়া উচিত?
এই মুহূর্তে অমুছলীমরা তো বটেই, এমনকি হয়তো ৭০% মুছলীমও ভ্যাক্সিনের আশায় বসে আছে। এটি একটি আক্বিদা পরিপন্থী বিষয়। অথচ, ১০০% মুছলীমের এই প্রত্যাশাই হওয়া উচিত যে, কখন তাঁর রবের রাহমাতের দরজা খুলবে এবং, তিনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিবেন অতঃপর তাঁর এই আযাব আমাদের থেকে উঠিয়ে নেবেন। আল্লাহ سبحانه وتعالى কুরআনে কারীমে বলেন, وَ اِنۡ یَّمۡسَسۡکَ اللّٰہُ بِضُرٍّ فَلَا کَاشِفَ لَہٗۤ اِلَّا ہُوَ অর্থঃ আল্লাহ তোমার কোন ক্ষতি করতে চাইলে তিনি ছাড়া কেউ তা সরাতে পারবে না। (আন'আমঃ১৭)
২) হাদীছ থেকে জানা যায় যে, আল্লাহ سبحانه وتعالى এই তা'উন সর্বপ্রথম বানী ইসরাইল এর উপর প্রেরণ করেছিলেন। তারই একটা অংশ তিনি এই পৃথিবীতে - করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (২য় পর্ব)
১) এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে আমাদের কী করা উচিৎ?
ক) যদি কেউ আক্রান্ত হয়ে যায়, তবে তাঁর উচিৎ হবে এটাকে আল্লাহ এর ফায়সালা হিসেবে মেনে নেয়া।
খ) যদি এর ফলে কোনও মুমীন মৃত্যুবরণ করে, তবে এই তা'উন হচ্ছে তাঁর জন্য রাহমাহ। কারণ, তা'উন হচ্ছে প্রকৃত মুছলিমদের জন্য শাহাদাত স্বরূপ।
গ) কেউ যদি তা'উন আক্রান্ত এলাকা থেকে পলায়ন করে, তবে সে হবে যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়নকারীর ন্যায়।
ঘ) তা'উন আক্রান্ত এলাকা থেকে কারো বের হওয়া উচিৎ নয়। এবং, আক্রান্ত এলাকায় কারো প্রবেশ করাও উচিৎ নয়। - করোনাভাইরাস সম্পর্কিত ইছলামিক দৃষ্টিভঙ্গি (১ম পর্ব)
১) তা'উন শব্দের অর্থ কি?
আরবীতে দুইটি বিষয় আছে। একটি হচ্ছে আল-ওয়াবা এবং, আরেকটি হচ্ছে আত-তা'উন। এখানে ওয়াবা থেকে তা'উন হচ্ছে অনেকবেশী মারাত্মক ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারী। তা'উনে মানুষের মৃত্যুহারও অনেক
বেশী থাকে। এটি দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
আল-ওয়াবাও একধরনের সংক্রামক ও মহামারী। কিন্তু, এতে মৃত্যুহার থাকে অনেক কম। এবং, এটি নিয়ন্ত্রনে থাকে।
আবূ হুরাইরাহ رضي الله عنه বর্ণিত, রাছূল صلى الله عليه وسلم বলেন, সংক্রামক ব্যধি বলতে কিছু নেই। (মুত্তাফাকুন আলাইহি) - আল ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্ আল ‘উছাইমীন কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আল ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী রচিত -‘আক্বীদাহ সংকলন- গ্রন্থ (৫১তম পর্ব)
এই অডিওটি আশ্শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী رحمه الله এর সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ “লুম‘আতুল ই‘তিক্বাদ”এর ধারাবাহিক অডিও ভাষান্তর। বাংলা ভাষায় অডিওরূপে এটি ভাষান্তর করেছেন উছ্তায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله। এতে ছালাফে সালিহীনের (رضي الله عنهم) আক্বীদাহ-বিশ্বাসের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। আহলুছ্ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘উলামায়ে কিরামের চিরাচরিত স্বভাব–বৈশিষ্ট্যও হলো যে, তারা তাদের লিখনীর মাধ্যমে সর্বাগ্রে বিশুদ্ধ ইছলামী ‘আক্বীদাহ সংরক্ষণ এবং তা প্রচার ও প্রসার করে থাকেন। বক্তব্যের এ পর্বেও উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله “হিছাব”সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। আলোচনার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপঃ
১) ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ سبحانه وتعالى স্বীয় বান্দাহদের থেকে তাদের প্রত্যেকটি কৃতকর্মের হিসাব নিবেন। একজন মূমিন-মুছলিমের আপন জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য এই “হিছাবের” উপরে বিশ্বাস থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরকালের হিসাবের বিষয়কে অস্বীকার করলে ব্যক্তি মূমীন বলে গণ্য হবে না। যেমন, ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন- اِنَّ اِلَیۡنَاۤ اِیَابَہُمۡ ثُمَّ اِنَّ عَلَیۡنَا حِسَابَہُمۡ
অর্থাৎ- তাদের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে। অতঃপর তাদের হিসাব নেয়া তো আমারই কাজ। (ছূরা আল গা-শিয়াহ- ২৫-২৬) - আল ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্ আল ‘উছাইমীন কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আল ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী রচিত -‘আক্বীদাহ সংকলন- গ্রন্থ (৫০তম পর্ব)
এই অডিওটি আশ্শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ আল মাক্বদিছী رحمه الله এর সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ “লুম‘আতুল ই‘তিক্বাদ”এর ধারাবাহিক অডিও ভাষান্তর। বাংলা ভাষায় অডিওরূপে এটি ভাষান্তর করেছেন উছ্তায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله। এতে ছালাফে সালিহীনের (رضي الله عنهم) আক্বীদাহ-বিশ্বাসের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। আহলুছ্ ছুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের ‘উলামায়ে কিরামের চিরাচরিত স্বভাব–বৈশিষ্ট্যও হলো যে, তারা তাদের লিখনীর মাধ্যমে সর্বাগ্রে বিশুদ্ধ ইছলামী ‘আক্বীদাহ সংরক্ষণ এবং তা প্রচার ও প্রসার করে থাকেন। বক্তব্যের এ পর্বে উছতায হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله “হিছাব” সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। আলোচনার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপঃ
১) “হিছাব” বিষয়ে ইমাম ইবনু ক্বোদামাহ رحمه الله বলেছেন- আল্লাহ سبحانه وتعالى মানুষের হিসাব নিবেন, মীযান ক্বায়িম করা হবে, মানুষের নামায়ে ‘আমালগুলো খুলে দেওয়া হবে। যেমন- ক্বোরআনে কারীমে আল্লাহ سبحانه وتعالى ইরশাদ করেছেন-فَاَمَّا مَنۡ اُوۡتِیَ کِتٰبَہٗ بِیَمِیۡنِہٖ فَسَوۡفَ یُحَاسَبُ حِسَابًا یَّسِیۡرًا وَّ یَنۡقَلِبُ اِلٰۤی اَہۡلِہٖ مَسۡرُوۡرًا وَ اَمَّا مَنۡ اُوۡتِیَ کِتٰبَہٗ وَرَآءَ ظَہۡرِہٖ فَسَوۡفَ یَدۡعُوۡا ثُبُوۡرًا وَّ یَصۡلٰی سَعِیۡرًا
অর্থাৎ- অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে, অচিরেই তার হিসাব সহজভাবে নেয়া হবে। আর সে তার স্বজনদের কাছে সানন্দে ফিরে যাবে। আর যাকে তার আমালনামা তার পিঠের পিছন দিক থেকে দেয়া হবে
- ক্বোরআনের তাফছীর (৯ম পর্ব)
এটি উছতায আবূ ছা‘আদা হাম্মাদ বিল্লাহ حفظه الله প্রদত্ত একটি ধারাবাহিক অডিও বক্তব্য। উক্ত ধারাবাহিক বক্তব্যে উছতায পবিত্র ক্বোরআনের ছূরা সমূহের তাফছীর প্রদান করবেন, ইন-শা-আল্লাহ, إن شاء الله।
ধারাবাহিক বক্তব্যে নিম্নোক্ত বইসমূহ উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে-ক) আল 'আল্লামা 'আব্দুল্লাহ আছ্ ছা‘দী رحمه الله রচিত এবং শাইখ সালিহ্ আল ‘উছাইমীন رحمه الله কর্তৃক ব্যাখ্যাকৃত আত-তা‘লীক্ব ‘আলাল ক্বাওা‘য়ীদ আল-হিছান।
খ) আল 'আল্লামা মুহাম্মাদ 'আলী আস্ সাবূনী رحمه الله রচিত আত্ তিবয়ান ফী 'উলূমিল ক্বোরআন।
গ) আল-'আল্লামা ছুয়ূতী رحمه الله রচিত আল-ইতক্বান।
এছাড়াও ছালাফদের রচিত আরো কিছু কিতাব থেকে সারাংশ উপস্থাপন করা হবে, إن شاء الله।।
বক্তব্যের এ পর্বে উছতায নিম্নোক্ত বিষয়গুলো আলোচনা করেছেন-১) بِسۡمِ اللہِ বা তাছমিয়াহ সম্পর্কে রাছূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন- কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ যদি তাছমিয়াহ তথা বিছমিল্লাহ দ্বারা শুরু করা না হয়, তবে সেই কাজ হবে লেজকাটা ও বারাকাতহীন।
তাছমিয়ার গুরুত্ব বুঝার জন্য রাছূলুল্লাহ্র (صلى الله عليه وسلم) এই হাদীছটিই যথেষ্ট। কিছু কিছু কাজ রয়েছে, যেগুলোর শুরুতে তাছমিয়াহ পাঠ করা